ভাতিজিকে বিয়ে করতে না পেরে মা ও ভাবিকে কু’পিয়ে হ’ত্যা, , ঘাত’ক আ’টক

108

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়নের পুঁজকরা গ্রামের পূর্ব পাড়ায় বেপারী বাড়ীতে পারিবারিক কলহের জের ধরে ছায়েদুল হক সিকি তার আপন মা ও ভাবীকে এলোপাতাড়ি কু’পিয়ে হ’ত্যা করা হয় ও একজন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নি’হতরা হলেন, আব্দুল হাইর স্ত্রী সৎ মা নুরজাহান বেগম (৭০),আজিজুল হকের স্ত্রী ভাবী নুরনাহার বেগম পুষ্পা (৪৫).আহত ভাতিজি আরজু আক্তার (২৮)। আ’টক ঘা’তক ছায়েদুল হক সিকি ওই গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে।

স্হানীয় সূত্র ও থানা সূত্রে জানা যায়, ভাতিজি আরজুকে বিয়ে করার ইচ্ছা ছিল ঘাতক ছায়েদুলের, তার অন্য স্থানে বিয়ে হয়ে যায়। তারপর থেকে মা ভাবি, ভাতিজি আরজুর উপর ক্ষিপ্ত ছিল । সেই ভাতিজি বাপের বাড়িতে বেড়াতে আসে । সঙ্গে পিঠা নিয়ে আসে । সে পিঠা খাওয়াকে কেন্দ্র করে তার মায়ের সাথে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে ছায়েদুল হক সিকি বটি দা দিয়ে মা ও ভাবী এলোপাতাড়ি কু’পিয়ে জখম করে । তাদের বাচাঁতে গিয়ে ছায়েদুল হক সিকি তার ভাতিজি আরজু আক্তারকেও ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে স্হানীয়রা উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক নুরজাহান ও নুরনাহার বেগম পুষ্পাকে মৃত ঘোষণা করেন,পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। আহত আরজু গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন। জানা যায়, আরজুকে বিয়ে করতে না পেরে তার ছোট বোন আঁখিকেও বিয়ে করার চেষ্টা করে ঘাতক । সে মা’দকসক্ত ছিল।

নাঙ্গলকোট থানার ওসি মোঃ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান,ঘাতক ছায়েদুল হককে তাৎক্ষণিকভাবে ওই গ্রাম থেকে আ’টক করি,ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে। প্রাথমিক জিজ্ঞেসাবাদে আসামি হ’ত্যার দায় স্বীকার করে। অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।