পার্শ্ববর্তী জেলার দূরত্ব কমাবে মেঘনা সেতু

98

মেঘনা নদীর ওপর আরও একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এটি চালু হওয়ার পর রাজধানীর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর দূরত্ব কমে আসবে।নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সংযুক্ত হবে প্রস্তাবিত সেতুটি। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে নির্মিত হতে যাওয়া এ সেতুটি হবে ১ দশমিক ৬৮ কিলোমিটারের। তবে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে গর্ভমেন্ট টু গর্ভমেন্ট (জিটুজি) পদ্ধতিতে। এ প্রকল্পের বাণিজ্যিক সমীক্ষা প্রতিবেদনের কাজ করবে কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান।

সেতু বিভাগের সচিব বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে সেতুটি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর ও বাঞ্ছারামপুর এবং নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ বাড়বে। শুধু তাই নয়, ভারতের আগরতলার সঙ্গেও দূরত্ব কমবে।তিনি বলেন, এ সেতুটি নির্মিত হলে ওই এলাকায় নতুন নতুন শিল্প কারখানা তৈরি হবে। ফলে কর্মসংস্থানেরও সৃষ্টির সুযোগ রয়েছে।

সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, ভুলতা-আড়াইহাজার-বাঞ্ছারামপুর সড়কে ফেরিঘাটের ১০০ মিটার উজানে নির্মিত হবে তৃতীয় মেঘনা সেতু। এর সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করে নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় সাত হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা। এ সেতু দিয়ে দৈনিক ১৯ হাজার ৩৯৪টি গাড়ি চলাচল করবে বলে সমীক্ষার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

চার লেনের এ সেতুটি দৃষ্টিনন্দন ‘স্টিল-কংক্রিট কম্পোজিট বক্স গার্ডার কেবল স্টেড ব্রিজ’ হবে। এর মূল স্প্যান ৬৫০ মিটার এবং অন্যান্য স্প্যান ১১০ মিটার; নৌযান চলাচলের জন্য ভার্টিক্যাল ক্লিয়ারেন্স ১৮ দশমিক ৩০ মিটার ধরা হয়েছে।  সেতুটি নির্মাণের জন্য ২৪৭ দশমিক ২৭ একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। ওই জমির মূল্য বহন করবে সেতু বিভাগ।