সৎ চেষ্টা ও উদ্যমকে সবারই সমর্থন জানানো উচিত বলে মনে করে বাংলাদেশ পুলিশ।’

189

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নগরীর মতিহার এলাকায় এক ব্যক্তির সন্তানকে পড়াতেন। এ বিষয়ে মৌখিক চুক্তি হয়। পড়ানো শেষ হলে চুক্তি অনুযায়ী মেয়েটিকে তার পাওনা টাকা দিতে গড়িমসি শুরু করে শিক্ষার্থীর পরিবার।

কোনোভাবে টাকা আদায় করতে না পেরে ওই ছাত্রী পুলিশের শরণাপন্ন হন। ইনবক্সে যোগাযোগ করেন বাংলাদেশ পুলিশের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে। আর এতেই আসে সমাধান।

রোববার সকালে প্রেস নোটে এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) সোহেল রানা।

তিনি জানান, পড়ানো শেষে টাকা চাইতে গেলে পরিবারটি ছাত্রীকে প্রাপ্য টাকার অর্ধেকেরও কম নিতে প্রস্তাব করে। ছাত্রীটি তা নিতে অস্বীকার করে সম্পূর্ণ পাওনা দাবি করেন। পাওনা না পেয়ে হোস্টেলে ফিরে যান তিনি। পরিবারটি প্রভাবশালী হওয়ায় ওই ছাত্রী উচ্চবাচ্য করার সাহস পাননি।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, গত বুধবার বাংলাদেশ পুলিশের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজের ইনবক্সে সহায়তা চেয়ে বার্তা পাঠান ওই ছাত্রী। পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি সমাধানের নির্দেশনা দেয়। থানা উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীটি বুঝে পান তার প্রাপ্য।

সোহেল রানা বলেন, ‘আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের অনেকেই টিউশনি করে নিজেদের পড়ালেখার খরচ চালিয়ে থাকেন। তাদের সহযোগিতা করা উচিত এবং তাদের যেকোনো সৎ চেষ্টা ও উদ্যমকে সবারই সমর্থন জানানো উচিত বলে মনে করে বাংলাদেশ পুলিশ।’