হেফাজতের সহিংসতার ঘটনায় আরও ৩ মামলা, প্রধান আসামি মামুনুল

42

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে হেফাজতের সহিংসতার ঘটনায় আরও ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) রাতে একটি ও শুক্রবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে দুটি মামলা করা হয়।

সোনারগাঁ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়াউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সোনারগাঁ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু ও যুবলীগের প্রচার সম্পাদক নাছির উদ্দিন শুক্রবার দুপুরে দুটি মামলা করেন।

এছাড়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সোহাগ রনির বাবা হাজী শাহ জামাল তোতা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে সোনারগাঁ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোনারগাঁ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নুর বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে ১২০ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করা হয়।

সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সোনারগাঁ যুবলীগের প্রচার সম্পাদক নাছির উদ্দিন বাদী হয়ে অপর একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ১১০ জনের নামোল্লেখসহ আরও ৭০ থেকে ৮০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

এদিকে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সোহাগ রনির বাবা হাজী শাহ জামাল তোতার দায়ের করা মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় হেফাজত ইসলামের কর্মী খালেদ সাইফুল্লাহ সাইফ, কাজী সমির, অহিদকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ শাখা (ডিবি)।

শুক্রবার বিকেলে তাদের বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারদের মধ্যে অহিদ তাবলিগ জামাতের সদস্য ও করোনায় কাজ করা এহসান পরিবারের সদস্য।

এর আগে মামুনুল কাণ্ডে পুলিশ বাদী হয়ে দুটি ও সাংবাদিককে মারধর ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করে। তিনটি মামলায় ৮৩ জনের নামোল্লেখ ও ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে আসামি করা হয়।

এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, হেফাজতের সহিংসতার ঘটনায় আরও তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট ৬টি মামলা হয়েছে। এজাহারভুক্ত মোট ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।