নারায়ণগঞ্জে কয়েক সপ্তাহ ধরে সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঊর্ধ্বগতি শঙ্কা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ

121

গত ২৪ ঘণ্টায় দুই জন মারা গেছে; নতুন সংক্রমিত হয়েছে আরও ১০৮ জনের দেহে।

এ নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা হলো ১২ হাজার ৪৭০। সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি সিটি করপোরেশন ও সদর এলাকায়।

এদিকে, সংক্রমণ বাড়লেও লকডাউনের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে লোকজনের মাঝে ঢিলেঢালা ভাব দেখা যাচ্ছে। সামাজিক দূরত্ব না মেনে এবং মাস্ক ছাড়া লোকজন বাজার ও পাড়া মহল্লায় চলাফেরা করছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর দিকে গত বছরের মার্চ ও এপ্রিলে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বেশি ছিল সিটি ও সদর এলাকায়। এই দুটি এলাকাকে লকডাউন করেছিল আইইডিসিআর। গত বছরের পহেলা এপ্রিল থেকে এ বছরের মার্চের ৩ তারিখ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ১৫৬ জনের; আক্রান্ত ছিল ৮ হাজার ৯০৯ জন; নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭৫ হাজার ৭৮৮ জনের।

আর চলতি বছরের মার্চের ৪ তারিখ থেকে ২২ এপ্রিল মারা গেছে আরও ৪৯ জন; আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৪৯২ জন; নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৩ হাজার ৮৮ জনের।

জেলা করোনা বিষয়ক ফোকাল পারসন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু ‘আশঙ্কাজনক’ হারে বাড়ছে। সিটি ও সদর এলাকায় সংক্রমণের হার বেশি। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে সামাজিক দূরত্বসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং সবাইকে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।