হেফাজত নেতাদের পদত্যাগেই প্রমাণিত তারা নাশকতায় জড়িত

129

সহিংসতার কথা বলে একের পর এক নেতার পদত্যাগই প্রমাণ করে নাশকতায় হেফাজত জড়িত। নারায়ণগঞ্জে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমিরের মৌখিক পদত্যাগের পর সম্প্রতি পদত্যাগ করেন ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাওলানা আব্দুর রহিম কাসেমী।

জেলার স্থানীয় সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো বলছে, তাণ্ডবের ঘটনায় কেন্দ্রীয় নেতাদেরও বিচার হওয়া উচিত।

স্বাধীনতা দিবসে এমন তাণ্ডব এর আগে দেখেনি বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল, রেলস্টেশন, সকল সরকারি বেসরকারি অফিসসহ ভাঙচুর করা হয় শহরের এ মাথা থেকে ও মাথা পর্যন্ত।

এমনকি হামলা করা হয় পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়েও। শুধু একদিন নয় অন্তত দুদিন চলে এমন মধ্যযুগীয় হামলার ঘটনা।

ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সেই তাণ্ডবের দ্বিতীয় সংস্করণ যেন নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ডে ঘটে ২৮ মার্চ হেফাজতের হরতালের দিন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে হেফাজতের নারাণয়গঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি আব্দুল আউয়াল পদত্যাগ করেন।

সেই রেশ কাটতে না কাটতে শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) পদত্যাগ করলেন ব্রাক্ষণবাড়িয়ার আর এক নেতা। লিখিত বক্তব্যে জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমি কাসেমী দাবি করেন তিনি হামলার সঙ্গে জড়িত নন। এমনকি তিনি এমন হামলার বিচারও দাবি করেন। তবে কথা বলেননি সাংবাদিকদের সঙ্গে।

এই নেতার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় হেফাজত তাণ্ডবের সঙ্গে জড়িত। এমন মন্তব্য করেছেন ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।