জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার ২০ ছাত্রকে বহিষ্কার করা হয়েছে

52

সরকারি স্থাপনায় আক্রমণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার ২০ ছাত্রকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা সচিব মুফতি শামসুল হক সরাইলী স্বাক্ষরিত এক বহিষ্কারাদেশে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।  

এতে বলা হয়, জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ২০২০/২১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রদের অত্র জামিয়ায় ভর্তি পালনীয় শর্তাবলীর ২৫ নং ধারায় মাদ্রাসার সমুদয় রীতিনীতি ও আইনকানুন অমান্য করে হুজুরদের বাধা উপেক্ষা করে গত ২৬ মার্চ সরকারি স্থাপনায় আক্রমণ করার সংবাদ পাওয়ার ভিত্তিতে তাদেরকে বহিষ্কার করা হলো।

বহিষ্কার হওয়া ছাত্ররা হলেন- আশেক এলাহী, মিজবাহ উদ্দিন, আবু হানিফ, আশরাফুল ইসলাম, আলাউদ্দিন, মকবুল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, মোবারক উল্লাহ, বুরহান উদ্দিন, আব্দুল্লাহ আফজাল, জুবায়ের, জুবায়ের, হিজবুল্লাহ রাহমানী, শিব্বির আহমেদ, ইফতেখার আদনান, সাইফুল ইসলাম, সোলাইমান, রাকিব বিল্লাহ, তারিক জামিল ও হাবিবুল্লাহ।

উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামে মাদ্রাসাছাত্রদের ওপর পুলিশের হামলার খবরে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক তাণ্ডব চালায় হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা।

এসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়, প্রেসক্লাব, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয়, জেলা পরিষদ কার্যালয় ও ডাকবাংলো, খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা ভবন, আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন, আলাউদ্দিন খাঁ পৌরমিলনায়তন ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরসহ ৩৮টি সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। 

এই ঘটনায় নিহত হয় ১২জন। এই ঘটনায় মোট ৫৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় গত একমাসে গ্রেফতার করা হয়েছে ৩৬৯জনকে।