খুলনায় নেয়া হচ্ছে ভারত ফেরত যাত্রীদের, জায়গা নেই বেনাপোলে

114

ভারতে আটকেপড়া বাংলাদেশি যাত্রীদের চাপে ভরে গেছে বেনাপোলের আবাসিক হোটেল ও মাদ্রাসা। চাপ সামলাতে শনিবার থেকে দেশে ফেরা যাত্রীদের ৭৫ কিলোমিটার দূরে জেলা সদর, নড়াইলের পর নেয়া হচ্ছে খুলনায়।

প্রতিদিন স্রোতের মতো আসছে ভারতে আটকেপড়া বাংলাদেশিরা। আটকেপড়া যাত্রীদের অধিকাংশই চিকিৎসার  জন্য ভারতে অবস্থান করছিলেন।

রোববার দুপুর ৩টার মধ্যে দেশে ফিরলেন আরও ৭০ জন বাংলাদেশি। এদের বিশেষ ব্যবস্থায় খুলনায় নেয়া হচ্ছে।
শনিবার দেশে আসেন ২৮৩ জন। লকডাউনের পর এ পর্যন্ত দেশে ফিরে এসেছেন ১ হাজার ১৯৯ জন। প্রথম তিন দিনে প্রায় ৬ শতাধিক যাত্রীকে রাখা হয় বেনাপোলের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে।

বেনাপোলে পর্যটন মোটেলসহ মোট হোটেলের সংখ্যা ১২। স্থান সংকুলান না হওয়ায় ২৯ তারিখ দেশে ফেরত আসা যাত্রীদের রাখা হয় ঝিকরগাছার গাজীরদরগা মাদ্রাসায়। ৩০ তারিখের যাত্রীদের পাঠানো হয়েছে নড়াইলের বিভিন্ন হোটেলে। শনিবার ও রোববার দুপুর ৩টা পর্যন্ত দেশে ফেরা যাত্রীদের পাঠানো হয়েছে খুলনার বিভিন্ন হোটেলে।

গত এক সপ্তাহে দেশে ফেরত আসা যাত্রীর ১ হাজার ১৯৯ জনের মধ্যে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন সাতজন। তাদের যশোর সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দেশে ফেরত আসা এসব যাত্রীদের ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে। শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা আগত যাত্রীদের সার্বিক দেখাশোনার জন্য চেকপোস্টের আন্তর্জাতিক টার্মিনালে মনিটরিং সেল বসিয়ে তত্ত্বাবধান করছেন।