আতঙ্কে আছেন ইজরায়েলে কর্মরত ভারতীয় নার্স

45

ইজরায়েল ও ফিলিস্তিনী উগ্রবাদী সংগঠন হামাসের সংঘর্ষের বলি হয়েছেন ৩২ বছরের মালওয়ালি তরুণী সৌম্যা সন্তোষ। পেশায় নার্স সৌম্যা ইজরায়েলের আশকেলন শহরে এক বৃদ্ধার পরিচর্যা করতেন। একই পেশায় ইজরায়েলে রয়েছেন বহু ভারতীয়। সৌম্যার মৃত্যুর পর থেকে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন তারা। কাটছে ঘুমহীন রাত। এই বুঝি রকেট হানায় সব শেষ হয়ে যায়।

ইজরায়েলে বাস করেন প্রায় ১৪ হাজার ভারতীয়। ২০১৯ সালের ভারতীয় দূতাবাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এদের ১৩ হাজার ২০০ সেবিকার কাজ করেন। এক ইজরায়েলের ভিসা পাওয়া সুবিধার এবং ওখানে নার্সিংয়ের জন্য মোটা টাকা পাওয়া যায়। গাজা সীমান্তের শহরগুলোতে বসবাসকারী প্রবাসী ভারতীয় নার্সরা প্রাণসংশয়ে দিন কাটাচ্ছেন সারাক্ষণ।

হামাসের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আক্রমণের রাস্তা নিয়েছে ইজরায়েল সরকার। তাতে গোলাগুলি, বোমাবর্ষণ অবশ্যই আরো বেড়ে গেছে। গাজা থেকে ৩৮ কিমি দূরের ইজরায়েলি শহর আশদোদের বাসিন্দা ৩৩ বছরের মারিয়া জোসেফ বললেন, ‘গত চার দিন ঘুমোইনি। গতকাল এই চত্বরে বৃষ্টির মতো রকেট পড়ছিল। বাড়িঘর সব কাঁপছিল। সবাই নিরাপদে আছে কিনা তা জানতে আমাদের গ্রুপে মেসেজ করে যাচ্ছিলাম। এভাবেই একে অপরকে সাহস জোগাচ্ছিলাম। আড়াই বছর ধরে ৮৮ বছরের এক ইজরায়েলি বৃদ্ধার আয়ার কাজ করে যাচ্ছেন মারিয়া।

মারিয়ার মতোই আর এক নার্স শিনতো কুরিয়াকোসে ছ’ বছর ধরে ইজরায়েলে কাজ করছেন। তিনি জানিয়েছেন, দেশ থেকে আতঙ্কিত পরিবারের সারাক্ষণ ফোন আসছে। আশাকরছি কয়েক দিনের মধ্যে শান্তি ফিরবে। মানুয়াল নামের আর এক নার্স জানিয়েছেন, কেরলে নার্সদের আয় খুবই কম। ইজরায়েলে সেখানে অভারটাইম করলে মাসে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করা যায়।
সূত্র : আজকাল